ডেসিমাল ফরম্যাট (যেমন: ২.৫০) বুঝতে সবচেয়ে সহজ। এই সংখ্যাকে আপনার বেটের পরিমাণ দিয়ে গুণ করলেই মোট ফেরত পাবেন। উদাহরণ: ৳১,০০০ বেট করলে এবং অডস ২.৫০ হলে – জিতলে ফেরত পাবেন ৳২,৫০০ (৳১,০০০ আসল + ৳১,৫০০ লাভ)।
ফ্র্যাকশনাল ফরম্যাট (যেমন: ৩/২) মানে হলো ২ টাকা বেটে ৩ টাকা লাভ। অর্থাৎ ৳১,০০০ বেটে ৳১,৫০০ লাভ এবং মোট ৳২,৫০০ ফেরত।
মানি লাইন ফরম্যাটে ধনাত্মক সংখ্যা (+150) মানে ৳১০০ বেটে ৳১৫০ লাভ; ঋণাত্মক সংখ্যা (-150) মানে ৳১৫০ বেট করতে হবে ৳১০০ লাভের জন্য।
সাধারণত অডস যত বেশি, জেতার সম্ভাবনা তত কম কিন্তু জয়ের পরিমাণ বেশি। লাইভ ম্যাচে অডস প্রতি বলে পরিবর্তন হয়, তাই দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া ভালো। কোনো অডস বুঝতে না পারলে লাইভ চ্যাটে জানালে সাথে সাথে বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
বন্ধু আপনার লিঙ্ক দিয়ে নিবন্ধন করলে এবং প্রথমবার ন্যূনতম ৳৫০০ ডিপোজিট করলে উভয় পক্ষই বোনাস পাবেন:
• আপনি পাবেন: বন্ধুর প্রথম ডিপোজিটের ১০% (সর্বোচ্চ ৳১,০০০ প্রতি রেফারেলে)
• বন্ধু পাবেন: তার ওয়েলকাম বোনাস যথারীতি
রেফারেল বোনাসের ওয়েজারিং শর্ত মাত্র ১০× – মানে বোনাস পরিমাণের ১০ গুণ বেট করলেই উইথড্র করা যাবে, মেয়াদ ৩০ দিন। একজন সদস্যের রেফারেলের কোনো সীমা নেই – যত বন্ধু আনবেন, তত বোনাস পাবেন। তবে একটি মোবাইল নম্বর একবারই ব্যবহার হবে এবং নিজেকে রেফার করা যাবে না।
রেফারেলের বিস্তারিত ট্র্যাকিং প্রোফাইলের রেফারেল সেকশনে দেখা যাবে – কতজন যোগ দিয়েছেন, কতটুকু বোনাস এসেছে সব।
ধাপ ১ – ব্রাউজার ক্যাশ পরিষ্কার করুন: Chrome-এ তিন ডট মেনু → Settings → Privacy → Clear browsing data → Cached images and files। এরপর আবার চেষ্টা করুন।
ধাপ ২ – নেটওয়ার্ক পরীক্ষা করুন: WiFi বন্ধ করে মোবাইল ডেটায় বা মোবাইল ডেটা বন্ধ করে WiFi-তে চেষ্টা করুন। অনেক সময় একটিতে সমস্যা থাকলে অন্যটায় কাজ করে।
ধাপ ৩ – ব্রাউজার আপডেট করুন: পুরানো ব্রাউজারে নতুন ফিচার কাজ না-ও করতে পারে। Google Play বা App Store থেকে Chrome বা Safari আপডেট করুন।
ধাপ ৪ – VPN চালু থাকলে বন্ধ করুন: VPN অনেক সময় সংযোগে বাধা দেয়।
যদি তারপরেও সমস্যা থাকে, ফোনের ডিফল্ট ব্রাউজার বাদ দিয়ে Chrome বা Firefox দিয়ে চেষ্টা করুন। সমস্যা সমাধান না হলে লাইভ চ্যাটে বা support@777i.click-এ স্ক্রিনশট পাঠান – দ্রুত সমাধান করা হবে।
তবে একই পরিবারের দুজন সদস্য (যেমন স্বামী ও স্ত্রী, বা বাবা ও সন্তান) আলাদা আলাদা অ্যাকাউন্ট রাখতে পারবেন, যদি:
• প্রত্যেকের নিজস্ব আলাদা মোবাইল নম্বর থাকে
• প্রত্যেকের আলাদা জাতীয় পরিচয়পত্র থাকে
• প্রত্যেকের আলাদা বিকাশ/নগদ অ্যাকাউন্ট থাকে
একই ডিভাইস শেয়ার করলেও কোনো সমস্যা নেই যদি উপরের শর্তগুলো পূরণ হয় – প্রতিটি লগইন/লগআউটের মাধ্যমে আলাদা আলাদা ব্যবহার করা যাবে।
সতর্কতা: একটি মানুষের একাধিক অ্যাকাউন্ট শনাক্ত হলে সব অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং ব্যালেন্স বাজেয়াপ্ত হতে পারে। এই ঝুঁকি নেওয়া উচিত নয়। সন্দেহ থাকলে লাইভ চ্যাটে জিজ্ঞেস করুন।
স্পোর্টস বেটিং: ম্যাচ বা ইভেন্ট শেষ হওয়ার সাথে সাথে ফলাফল নিশ্চিত হলে সাধারণত ৫–১০ মিনিটের মধ্যে জয়ের অর্থ ওয়ালেটে জমা হয়। লাইভ বেটিংয়ে ম্যাচ শেষেই স্বয়ংক্রিয় নিষ্পত্তি হয়।
ক্যাসিনো ও স্লটস: প্রতিটি রাউন্ড শেষে তাৎক্ষণিকভাবে জয়ের অর্থ ওয়ালেটে যোগ হয়।
লটারি: ড্র সম্পন্ন হওয়ার পর সাধারণত ১–২ ঘণ্টার মধ্যে বিজয়ীদের অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হয়।
ওয়ালেট থেকে বিকাশে উইথড্র করার জন্য সর্বনিম্ন ৳৫০০ লাগবে। উইথড্র অনুরোধ করার পর সাধারণত ৫–১৫ মিনিটে বিকাশে টাকা পৌঁছায়। KYC যাচাই না হলে উইথড্রয়ালে দেরি হতে পারে বা সাময়িক আটকে যেতে পারে। প্রথমবার বড় পরিমাণ উইথড্রয়ালে ম্যানুয়াল যাচাই হওয়ায় কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে।
পয়েন্ট গণনার পদ্ধতি (স্লটস টুর্নামেন্ট):
• প্রতি ৳১০০ বেটে সাধারণত ১ পয়েন্ট
• নির্দিষ্ট "টুর্নামেন্ট গেমে" বেট করলে ২× বা ৩× মাল্টিপ্লায়ার প্রযোজ্য
• প্রমোশন পেজে প্রতিটি টুর্নামেন্টের নিজস্ব মাল্টিপ্লায়ার দেখানো থাকে
পুরস্কার বিতরণ: টুর্নামেন্ট শেষের ২৪–৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিজয়ীদের অ্যাকাউন্টে পুরস্কার জমা হয়। পুরস্কার সাধারণত ক্যাশ বোনাস বা ফ্রি স্পিন আকারে দেওয়া হয়।
টাই হলে: একই পয়েন্টে দুজন থাকলে যে আগে সেই পয়েন্টে পৌঁছেছেন তিনি এগিয়ে থাকবেন। বর্তমান র্যাংকিং লাইভ দেখা যায় প্রমোশন পেজের লিডারবোর্ড সেকশনে।
যা যা লাগবে:
১. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID): সামনে ও পেছনের স্পষ্ট ছবি বা স্ক্যান
২. সেলফি: NID হাতে ধরে একটি স্পষ্ট সেলফি ছবি
৩. মোবাইল ব্যাংকিং তথ্য: বিকাশ/নগদ অ্যাকাউন্টের স্ক্রিনশট (নম্বর যাচাইয়ের জন্য)
কীভাবে জমা দেবেন: লাইভ চ্যাটে ছবিগুলো পাঠান অথবা support@777i.click-এ ইমেইলে পাঠান। "KYC জমা" সাবজেক্টে পাঠালে দ্রুত প্রসেস হয়।
সময়: সাধারণত কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর ২–৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই সম্পন্ন হয়। ব্যস্ত সময়ে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা লাগতে পারে।
একবার KYC সম্পন্ন হলে পরের বার আর দিতে হবে না। ছবি ঝাপসা বা কাটাছেঁড়া হলে পুনরায় জমা দিতে বলা হবে। সব তথ্য সম্পূর্ণ গোপনীয় রাখা হয়।